Sunday, April 3, 2016
টেবিলের ওপর পা তুলে ওয়ার্নকে স্যামুয়েলসের জবাব
অধিনায়কের পদ ছাড়লেন আফ্রিদি
নিজের অফিসিয়াল টুইটার আকাউন্টে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পোস্ট করে শহীদ আফ্রিদি পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। লিখিত ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, ‘আমার পাকিস্তানি ভক্ত ও সারা বিশ্বকে জানাতে চাই, আমি স্বেচ্ছায় পাকিস্তান টি২০ দলের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিচ্ছি।’ তবে পাকিস্তান দলে নিয়মিত ক্রিকেটার হিসেবে খেলবেন বলে জানিয়েছেন শহীদ আফ্রিদি।
আফ্রিদি বলেন, ‘দেশকে নেতৃত্ব দেওয়াটা আমার জন্য খুব গর্বের ছিল। এতদিন যারা আমার সঙ্গে ছিলেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। তবে আমি দলের একজন সদস্য হিসেবে দেশের হয়ে খেলে যেতে চাই। আশা করি সমর্থকরা আমার সঙ্গেই থাকবেন।’
অবশেষে অধিনায়কের পদ ছাড়লেন পাকিস্তান টি২০ দলের অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। আজ রবিবার তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন।
নিজের অফিসিয়াল টুইটার আকাউন্টে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পোস্ট করে শহীদ আফ্রিদি পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। লিখিত ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, ‘আমার পাকিস্তানি ভক্ত ও সারা বিশ্বকে জানাতে চাই, আমি স্বেচ্ছায় পাকিস্তান টি২০ দলের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিচ্ছি।’ তবে পাকিস্তান দলে নিয়মিত ক্রিকেটার হিসেবে খেলবেন বলে জানিয়েছেন শহীদ আফ্রিদি।
আফ্রিদি বলেন, ‘দেশকে নেতৃত্ব দেওয়াটা আমার জন্য খুব গর্বের ছিল। এতদিন যারা আমার সঙ্গে ছিলেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। তবে আমি দলের একজন সদস্য হিসেবে দেশের হয়ে খেলে যেতে চাই। আশা করি সমর্থকরা আমার সঙ্গেই থাকবেন।’
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/sports/2016/04/03/136473#sthash.RGpra3HB.dpuf
নিজের অফিসিয়াল টুইটার আকাউন্টে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পোস্ট করে শহীদ আফ্রিদি পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। লিখিত ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, ‘আমার পাকিস্তানি ভক্ত ও সারা বিশ্বকে জানাতে চাই, আমি স্বেচ্ছায় পাকিস্তান টি২০ দলের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিচ্ছি।’ তবে পাকিস্তান দলে নিয়মিত ক্রিকেটার হিসেবে খেলবেন বলে জানিয়েছেন শহীদ আফ্রিদি।
আফ্রিদি বলেন, ‘দেশকে নেতৃত্ব দেওয়াটা আমার জন্য খুব গর্বের ছিল। এতদিন যারা আমার সঙ্গে ছিলেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। তবে আমি দলের একজন সদস্য হিসেবে দেশের হয়ে খেলে যেতে চাই। আশা করি সমর্থকরা আমার সঙ্গেই থাকবেন।’
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/sports/2016/04/03/136473#sthash.RGpra3HB.dpuf
ন্যু ক্যাম্পে রিয়ালের হাসি
অবশ্য ২-১ গোলের জয়টা ম্যাচের আসল চেহারাও একদমই বোঝাচ্ছে না। এমন একটা নিষ্প্রাণ প্রথমার্ধ এল ক্লাসিকোয় শেষ কবে হয়েছে মনে করা কঠিন। তার মধ্যে অবশ্য একটা ঘটনা বিতর্ক উসকে দেওয়ার মতোই। ২৬ মিনিটে মনে হয়েছে, বক্সের মধ্যে লিওনেল মেসিকে ফেলেই দিয়েছিলেন সার্জিও রামোস। এর আগেই হলুদ কার্ড দেখেছিলেন। কিন্তু রেফারি পেনাল্টি দেননি, রামোসও লাল কার্ডের হাত থেকে সেবার বেঁচে যান। শেষ পর্যন্ত অবশ্য রামোসকে ছাড়াই ম্যাচ শেষ করেছে রিয়াল। ৮৪ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় রিয়াল ডিফেন্ডারকে।
তবে ওই ঘটনার আগে-পরে হয়ে গেছে অনেক নাটক। ৭৯ মিনিটে দারুণ এক হেড থেকে বল জালে জড়িয়েই উল্লাসে ফেটে পড়লেন গ্যারেথ বেল। কিন্তু রেফারি জানিয়ে দেন, হেড করার সময় জর্ডি আলবাকে ফাউল করেছেন বেল। রিপ্লে অবশ্য গোলটাকে অবৈধ বলতে পারেনি। মিনিট খানেক পরেই রোনালদোর শট যখন বারে চুমু খেয়ে চলে গেল, মনে হচ্ছিল ভাগ্য রিয়ালের পক্ষে নেই। এর পর তো রামোসের লাল কার্ড। কিন্তু ৮৫ মিনিটেই দারুণ এক প্রতি আক্রমণ থেকে বেলের ক্রসেই গোল করে রোনালদো এগিয়ে দেন রিয়ালকে। আর সমতা আনতে পারেনি বার্সেলোনা।
অথচ ম্যাচের ৫৬ মিনিটে গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল বার্সাই। কর্নার থেকে দারুণ এক গোল করেন জেরার্ড পিকে! কিন্তু ৬৩ মিনিটে করিম বেনজেমার দুর্দান্ত এক সাইড কিকে সমতা ফেরায় রিয়াল।
কোচ হিসেবে প্রথম ক্লাসিকোতেই জয়, জিদানের জন্য ম্যাচটি স্মরণীয়। ২০০৭-০৮ মৌসুমে বার্নড সুস্টারের পর এই প্রথম রিয়ালের কোনো কোচ অভিষেক ক্লাসিকোতেই জয় পেলেন। তবে জিদান শিরোপার টিমটিমে আশা জ্বালিয়ে রাখতে পেরেই হয়তো বেশি খুশি। রিয়াল বার্সার সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান কমিয়ে এনেছে সাতে, ম্যাচ বাকি অবশ্য ৮টি। তবে গ্যারেথ বেল আশায় বুক বাঁধছেন, ‘ওদের কয়েকটা হোঁচট খাওয়া এখন দরকার। আর নিজেদের কাজটা ঠিকঠাক করলেই হবে।’ জিদান অবশ্য কিছুটা সতর্ক, ‘আগে অ্যাটলেটিকোকে টপকাতে হবে আমাদের। সামনে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচ (আগামী পরশু ভলফ্সবুর্গের সঙ্গে কোয়ার্টার ফাইনাল) আছে, তার পর আমরা পরের ম্যাচ নিয়ে ভাবব।’
বার্সেলোনা কোচ লুইস এনরিকে পারলে ম্যাচের পরই স্মৃতিটা ঝেড়ে ফেলেন, ‘এই ম্যাচের এখন কোনো অস্তিত্ব নেই। কোনো হতাশা নেই আমাদের।’ অবশ্য দুই দিন পরেই চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে বার্সার প্রতিপক্ষ অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, ক্লাসিকোর হারে বিহ্বল হয়ে পড়ার তাই সময় নেই। এএফপি, রয়টার্স।
তাসকিনের পাশে আল আমিন
২০১৪’এর সেপ্টেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে বাংলাদেশের প্রথম পেসার হিসেবে আম্পায়ারদের সন্দেহের তালিকায় আসে আল আমিনের বোলিং অ্যাকশন। পরে চেন্নাইয়ে পরীক্ষা দিয়ে ছাড়পত্র পেলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আবার থিতু হতে লেগে গিয়েছে অনেকটা সময়। এ রকম পরিস্থিতিতে একজন বোলারের মানসিক অবস্থা কি দাঁড়ায়, সেটা আল আমিনের চেয়ে ভালো বুঝবেন কে! ‘এটা জীবনেরই একটা পরীক্ষা। অনেক স্নায়ুচাপে ভুগতে হয় এই সময়ে’—কাল মুঠোফোনে বলছিলেন এই পেসার।
বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর যাদের দেওয়া সাহস তাসকিনকে শক্ত রেখেছিল, আল আমিন তাদের একজন। তাসকিন নিজেও এর আগে তা বলেছেন। কাল আল আমিনও জানালেন, ‘আমি এক শ ভাগ নিশ্চিত ছিলাম তাসকিনের অ্যাকশনে সমস্যা নেই। তাকেও বারবার এটাই বলেছি। খোলা চোখে মনে হয় না অ্যাকশনে ত্রুটি আছে। পরীক্ষার পর নিশ্চয়ই সেটা আরও পরিষ্কার হয়ে যাবে।’ চেন্নাইয়ের রামাচন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে যেহেতু তাঁরও পরীক্ষা দেওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছে, সে সম্পর্কেও তাসকিনকে বিস্তারিত ধারণা দিয়েছিলেন আল আমিন।
কিন্তু কিছুই কাজে লাগল না। চেন্নাই থেকে দুঃসংবাদই এল। অবৈধ অ্যাকশনের দায়ে বোলিং থেকে নিষিদ্ধ হয়ে গেলেন তাসকিন। খবরটা শুনে প্রথমে বিশ্বাস হচ্ছিল না আল আমিনের, ‘আমার বিশ্বাসই হচ্ছিল না তাসকিনের ক্ষেত্রে এ রকম ঘটেছে। আমরা কেউই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। মনে হচ্ছিল, পরীক্ষা দিলে তো ওর অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ দূর হয়ে যাওয়ার কথা। অবৈধ হবে কেন?’
আল-আমিনের মতো এই প্রশ্নের উত্তর জানা নেই বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষেরই। তবু বাস্তবতা না মেনে উপায় নেই। তবে আল আমিন আশাবাদী, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আবার বোলিংয়ে ফিরতে পারবেন তাসকিন।
তাসকিনের জন্য সময়টা খারাপ গেলেও এ রকম পরিস্থিতি আগেই পার করে আসা আল আমিন আছেন ফুরফুরে মেজাজে। ৮ উইকেট নিয়ে আজকের ফাইনালের আগ পর্যন্তও মুস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে আছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শীর্ষ ১০ বোলারের মধ্যে। বোলার হিসেবে আল আমিনকে ভবিষ্যতের জন্য আরও আত্মবিশ্বাসী করছে এই সাফল্য, ‘বড় জায়গায় ভালো করলে আত্মবিশ্বাস এমনিতেই বেড়ে যায়। আমারও খুব ভালো লাগছে যে বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে ভালো বল করতে পেরেছি।’ আট উইকেটের মধ্যে আল আমিন সবচেয়ে বেশি আনন্দ পেয়েছেন ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে সুরেশ রায়নার উইকেট নিয়ে, ‘রায়না তখন সেট হয়ে গিয়েছিল। ওই সময় তার উইকেটটা খুব দরকার ছিল আমাদের জন্য।’
বিশ্বকাপ থেকে ফিরে এখন ছুটি কাটাচ্ছেন ক্রিকেটাররা। অনেকে দেশের বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। অনেকে গেছেন বাড়িতে। আল আমিনও এখন ঝিনাইদহে। ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ঠিক সামনেই বাড়ি। সেখানে থেকে দুই-আড়াই কিলোমিটার দূরে সিটি কলেজ মাঠ। বাড়িতে থাকলে দিনে অন্তত একবার এই মাঠে আসতেই হবে। কাল যাচ্ছিলেন সন্ধ্যার পর। আল আমিনকে যখন মুঠোফোনে ধরা হলো, তিনি তখন সিটি কলেজ মাঠের পথে। বন্ধুরা অপেক্ষা করছেন। মাঠে গেলে দেখা হবে আরও অনেকের সঙ্গে। এত ক্রিকেট খেলে, এত দেশ ঘুরেও এই মাঠের আকর্ষণ কমে না। ‘বাড়িতে থাকলে প্রতিদিন ওখানে একবার যেতেই হবে। না গিয়ে উপায় নেই। সবার সঙ্গে দেখা হয়, অনেকে ছবি তোলে...ভালোই লাগে আমার’—সিটি কলেজ মাঠ নিয়ে আল আমিনের কণ্ঠে আবেগের বাষ্প।
ম্যাচ জিতিয়ে জরিমানা
ঘটনাটি ম্যাচের শেষ ওভারে, ব্যাট করছিলেন কার্লোস ব্রাফেট, বোলিং করছিলেন বেন স্টোকস। নন স্ট্রাইকিং প্রান্তে থাকা স্যামুয়েলস এ সময় নাকি ইংল্যান্ডের পেসার বেন স্টোকসের উদ্দেশ্যে আক্রমণাত্মক ভাষায় কথা বলেন। পরে ম্যাচ রেফারি রঞ্জন মাদুগালের আনা অভিযোগ ও শাস্তি মেনে নেন স্যামুয়েলস, তাই আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি।
আইসিসি এলিট প্যানেল তাঁকে ম্যাচ ফির ৩০ শতাংশ জরিমানা করেছে। যে প্যানেলে ম্যাচ রেফারি রঞ্জন মাদুগালে ছাড়াও রয়েছেন আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা ও রড টাকার, তৃতীয় আম্পায়ার মারাইস এরাসমাস ও চতুর্থ আম্পায়ার ব্রুস অক্সেনফোর্ড।
Saturday, April 2, 2016
ওই ঘটনা মনে রেখেছেন জিদান-এনরিকে?
বার্সেলোনা কোচ লুইস এনরিকের এল ক্লাসিকো-অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে আগেই। বার্সার দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনটি ক্লাসিকোর দুইটিতে জয়ও পেয়েছেন। তবে রিয়াল কোচ জিদানের সেই অভিজ্ঞতা আজই প্রথম। কোচ হিসেবে দুজনের দ্বৈরথ আজই শুরু, কিন্তু খেলোয়াড়ী জীবনে সেটা অনেকবারই হয়েছে। এক বার তো প্রায় হাতাহাতিতেই জড়িয়ে পড়েছিলেন দুজন।
২০০৩ সালের এপ্রিলে মুখোমুখি রিয়াল-বার্সা। জিদান এর দুই বছর আগে এসেছেন রিয়ালে, এনরিকে ১৯৯৬ সালে সেই রিয়াল থেকেই অনেক বিতর্কের পর পাড়ি জমিয়েছিলেন বার্সেলোনায়। ওই ম্যাচেই এনরিকে অভিযোগ করে বসেন, জিদান কনুই দিয়ে বার্সা সতীর্থ পুয়োলকে গুঁতো মেরেছেন। এমনিতে জিদান সহজে মেজাজ হারান না, কিন্তু মাঝে মাঝে একেবারে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। ২০০৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের ওই ঢুঁশের ঘটনা তো সবাই কমবেশি জানেন। ওই ম্যাচেও এনরিকের অভিযোগের পর মেজাজ হারিয়ে ফেলেন জিদান। এনরিকের দিকে তেড়ে গিয়ে তাঁর বুকে ধাক্কা দেন। অশ্রাব্য ভাষায় কিছু কথাও বলেন। এনরিকেরও রীতিমতো যুদ্ধংদেহী ভাব। দুই দলের খেলোয়াড়েরা চলে আসায় অবশ্য ঘটনাটা বেশি দূর গড়ায়নি। জিদানও হলুদ কার্ড দেখেই পার পেয়ে যান। আগে একটা হলুদ কার্ড পাওয়ার পর এনরিকেকেও কার্ড দেখতে হয়নি।
ওই ম্যাচটা অবশ্য এনরিকের জন্যই বেশি স্মরণীয় ছিল। রোনালদোর গোলে রিয়াল এগিয়ে যাওয়ার পর এনরিকে সমতা এনেছিলেন বার্সার হয়ে। ম্যাচটাও শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র থেকে যায়।
ওয়াকার–আফ্রিদিমুক্ত পাকিস্তান দল চায় তদন্ত কমিটি
তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই পিসিবি এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ওয়াকারের জায়গায় নতুন প্রধান কোচ হতে পারেন সাবেক ব্যাটসম্যান মহসিন খান। এর আগে, ২০১১-১২ সময়ে মহসিন খান পাকিস্তান দলের কোচ হিসেবে সাফল্য পেয়েছিলেন। তাঁর সময়ে ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জিতেছিল পাকিস্তান। নতুন প্রধান কোচ হিসেবে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় এ মুহূর্তে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কোচ সাবেক ফাস্ট বোলার আকিব জাভেদের নামও আছে।
তবে মহসিন খানের সম্ভাবনাই বেশি। এরই মধ্যে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন পিসিবি প্রধান শাহরিয়ার খান। পাকিস্তান দলের কোচ হওয়ার ব্যাপারে মহসিন তাঁর আগ্রহও জানিয়ে দিয়েছেন। যদিও মহসিন খানকে নিয়ে বোর্ড প্রধানের চিন্তাটা দুরকম। তিনি চান, ভালো একজন বিদেশি কোচ পেলে মহসিন খানকে প্রধান নির্বাচক করতে। সেটা না হলে মহসিনই হতে পারেন প্রধান কোচ।
ওদিকে, তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নিয়োগও এখন সময়ের ব্যাপার। অধিনায়ক হিসেবে উঠে এসেছে উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান সরফরাজ আহমেদের নাম। সূত্র: পিটিআই।
Subscribe to:
Posts (Atom)